Jump to content

Wikipedia:Sandbox

From Wikipedia, the free encyclopedia



বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

[edit]

বিজ্ঞান কল্পকাহিনী (সায়েন্স ফিকশন) হলো সাহিত্যের একটি শাখা যা বিজ্ঞানের বিভিন্ন ধারণা, ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি, মহাকাশ ভ্রমণ, সময় ভ্রমণ এবং ভিনগ্রহের জীবন নিয়ে কাল্পনিক গল্প বর্ণনা করে। আধুনিক বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর ভিত্তি হিসেবে ১৮১৮ সালে প্রকাশিত মেরি শেলির ফ্রাঙ্কেনস্টাইন উপন্যাসটিকে বিবেচনা করা হয়। ১৯২৯ সালে প্রথম "Science Fiction" শব্দটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচলিত হয়।

বিশ্ব সাহিত্যে বিকাশ

[edit]

বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর প্রাথমিক বিকাশে ইউরোপীয় লেখকদের অবদান অনস্বীকার্য:

মেরি শেলি: তার ফ্রাঙ্কেনস্টাইন (১৮১৮) উপন্যাসে বিজ্ঞান ও নৈতিকতার সংঘাত ফুটিয়ে তুলেছেন। তাকে "বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর জননী" বলা হয়।

জুল ভার্ন: তাকে "বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর জনক" বলা হয়। তার উল্লেখযোগ্য কাজগুলো হলো জার্নি টু দ্য সেন্টার অফ দ্য আর্থ (১৮৬৪) এবং টুয়েন্টি থাউজেন্ড লিগস আন্ডার দ্য সি (১৮৭০)।

এইচ. জি. ওয়েলস: তার দ্য টাইম মেশিন এবং দ্য ওয়ার অফ দ্য ওয়ার্ল্ডস এই ধারাকে আরও সমৃদ্ধ করে।

বিগ থ্রি: বিংশ শতাব্দীতে আইজ্যাক আসিমভ, আর্থার সি. ক্লার্ক এবং রবার্ট এ. হেনলেইন—এই তিন লেখককে বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর "বিগ থ্রি" বলা হয়।

বাংলা সাহিত্যে বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

[edit]

বাংলা সাহিত্যে বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর যাত্রা শুরু হয় উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে।

প্রাথমিক যুগ: ১৮৭৯ সালে জগদানন্দ রায়ের শুক্র ভ্রমণ এবং বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর নিরুদ্দেশের কাহিনী (১৮৯৬) বাংলা ভাষার অন্যতম আদি বিজ্ঞান কল্পকাহিনী।

জনপ্রিয়তা: সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্ট প্রফেসর শঙ্কু চরিত্রটি বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনীকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে হুমায়ূন আহমেদ ও মুহম্মদ জাফর ইকবাল আধুনিক পাঠকদের কাছে এই ধারাটিকে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তোলেন।

উল্লেখযোগ্য বৈশ্বিক সিরিজ ও ফ্র্যাঞ্চাইজি

[edit]

বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞান কল্পকাহিনী কেবল বইয়ে সীমাবদ্ধ

বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

[edit]

বিজ্ঞান কল্পকাহিনী (সায়েন্স ফিকশন) হলো সাহিত্যের একটি শাখা যা বিজ্ঞানের বিভিন্ন ধারণা, ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি, মহাকাশ ভ্রমণ, সময় ভ্রমণ এবং ভিনগ্রহের জীবন নিয়ে কাল্পনিক গল্প বর্ণনা করে। আধুনিক বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর ভিত্তি হিসেবে ১৮১৮ সালে প্রকাশিত মেরি শেলির ফ্রাঙ্কেনস্টাইন উপন্যাসটিকে বিবেচনা করা হয়। ১৯২৯ সালে প্রথম "Science Fiction" শব্দটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচলিত হয়।

বিশ্ব সাহিত্যে বিকাশ

[edit]

বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর প্রাথমিক বিকাশে ইউরোপীয় লেখকদের অবদান অনস্বীকার্য:

মেরি শেলি: তার ফ্রাঙ্কেনস্টাইন (১৮১৮) উপন্যাসে বিজ্ঞান ও নৈতিকতার সংঘাত ফুটিয়ে তুলেছেন। তাকে "বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর জননী" বলা হয়।

জুল ভার্ন: তাকে "বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর জনক" বলা হয়। তার উল্লেখযোগ্য কাজগুলো হলো জার্নি টু দ্য সেন্টার অফ দ্য আর্থ (১৮৬৪) এবং টুয়েন্টি থাউজেন্ড লিগস আন্ডার দ্য সি (১৮৭০)।

এইচ. জি. ওয়েলস: তার দ্য টাইম মেশিন এবং দ্য ওয়ার অফ দ্য ওয়ার্ল্ডস এই ধারাকে আরও সমৃদ্ধ করে।

বিগ থ্রি: বিংশ শতাব্দীতে আইজ্যাক আসিমভ, আর্থার সি. ক্লার্ক এবং রবার্ট এ. হেনলেইন—এই তিন লেখককে বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর "বিগ থ্রি" বলা হয়।

বাংলা সাহিত্যে বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

[edit]

বাংলা সাহিত্যে বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর যাত্রা শুরু হয় উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে।

প্রাথমিক যুগ: ১৮৭৯ সালে জগদানন্দ রায়ের শুক্র ভ্রমণ এবং বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর নিরুদ্দেশের কাহিনী (১৮৯৬) বাংলা ভাষার অন্যতম আদি বিজ্ঞান কল্পকাহিনী।

জনপ্রিয়তা: সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্ট প্রফেসর শঙ্কু চরিত্রটি বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনীকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে হুমায়ূন আহমেদ ও মুহম্মদ জাফর ইকবাল আধুনিক পাঠকদের কাছে এই ধারাটিকে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তোলেন।

উল্লেখযোগ্য বৈশ্বিক সিরিজ ও ফ্র্যাঞ্চাইজি

[edit]

বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞান কল্পকাহিনী কেবল বইয়ে সীমাবদ্ধ থাকেনি, চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন সিরিজেও এটি ব্যাপক জনপ্রিয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

ডুন (Dune) - ফ্রাঙ্ক হার্বার্ট ফাউন্ডেশন সিরিজ - আইজ্যাক আসিমভ দ্য থ্রি-বডি প্রবলেম - লিউ সিক্সিন স্টার ওয়ার্স (Star Wars) স্টার ট্রেক (Star Trek)

আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান কল্পকাহিনী দিবস

[edit]

প্রতি বছর ২ জানুয়ারি অনানুষ্ঠানিকভাবে "জাতীয় বিজ্ঞান কল্পকাহিনী দিবস" পালন করা হয়। এই দিনটি প্রখ্যাত লেখক আইজ্যাক আসিমভের জন্মদিন হিসেবে পালন করা হয়, যা সায়েন্স ফিকশন প্রেমীদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

লেখক পরিচিতি

[edit]

এই নিবন্ধটি সংকলন ও প্রস্তুত করেছেন: জেড এইচ ফাহাদ (Z H Fahad)

তথ্যসূত্র

[edit]

Template:সূত্র তালিকা

শেলি, মেরি (১৮১৮)। ফ্রাঙ্কেনস্টাইন; অর, দ্য মডার্ন প্রমিথিউস

রায়, জগদানন্দ (১৮৭৯)। শুক্র ভ্রমণ

বসু, জগদীশচন্দ্র (১৮৯৬)। নিরুদ্দেশের কাহিনী

আসিমভ, আইজ্যাক (১৯৫০)। আই, রোবট